ভারতের হ্যান্ডলুম শিল্প কৃষির পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র।জাতীয় হ্যান্ডলুম বা তাঁত দিবসের মূল লক্ষ্য হলো 'ভোকাল ফর লোকাল'-এর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া, দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং পরিবেশবান্ধব, হাতে তৈরি পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানো।
এক নজরে
৭ আগস্ট পালিত হয় জাতীয় তাঁত দিবস। ২০১৫ সালে এই দিবস চালু হয়। ১৯০৫ সালের স্বদেশি আন্দোলনের স্মরণে দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। ভারতের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, তাঁতি ও তাঁদের জীবিকার গুরুত্ব তুলে ধরাই এর মূল উদ্দেশ্য।
স্থান ও সময়
৭ আগস্ট ২০২৬, নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ১২তম জাতীয় তাঁত দিবস পালিত হয়। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
ভারতের তাঁতশিল্পে ৩৫.২২ লক্ষ তাঁতি ও সংশ্লিষ্ট কর্মী যুক্ত। তাঁদের ৭২%-এর বেশি মহিলা। এই শিল্প দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও গ্রামীণ জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মনে রাখার মতো বিষয়সমূহ
- জাতীয় তাঁত দিবস — ৭ আগস্ট
- প্রথম পালিত — ২০১৫
- ২০২৬ সালে — ১২তম জাতীয় তাঁত দিবস
- ৭ আগস্ট ১৯০৫ — স্বদেশি আন্দোলনের সূচনা
- ২০২৬ সালে রাষ্ট্রপতি সন্ত কবীর হ্যান্ডলুম অ্যাওয়ার্ড ও ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।
ভারতের হ্যান্ডলুম শিল্প কৃষির পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র।জাতীয় হ্যান্ডলুম বা তাঁত দিবসের মূল লক্ষ্য হলো 'ভোকাল ফর লোকাল'-এর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া, দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং পরিবেশবান্ধব, হাতে তৈরি পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানো।
এক নজরে
৭ আগস্ট পালিত হয় জাতীয় তাঁত দিবস। ২০১৫ সালে এই দিবস চালু হয়। ১৯০৫ সালের স্বদেশি আন্দোলনের স্মরণে দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। ভারতের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, তাঁতি ও তাঁদের জীবিকার গুরুত্ব তুলে ধরাই এর মূল উদ্দেশ্য।
স্থান ও সময়
৭ আগস্ট ২০২৬, নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ১২তম জাতীয় তাঁত দিবস পালিত হয়। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
ভারতের তাঁতশিল্পে ৩৫.২২ লক্ষ তাঁতি ও সংশ্লিষ্ট কর্মী যুক্ত। তাঁদের ৭২%-এর বেশি মহিলা। এই শিল্প দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও গ্রামীণ জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মনে রাখার মতো বিষয়সমূহ
- জাতীয় তাঁত দিবস — ৭ আগস্ট
- প্রথম পালিত — ২০১৫
- ২০২৬ সালে — ১২তম জাতীয় তাঁত দিবস
- ৭ আগস্ট ১৯০৫ — স্বদেশি আন্দোলনের সূচনা
- ২০২৬ সালে রাষ্ট্রপতি সন্ত কবীর হ্যান্ডলুম অ্যাওয়ার্ড ও ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।