নালন্দার পর এবার বিহারের প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। Archaeological Survey of India (ASI) ঐতিহাসিক স্থানটির উন্নয়ন করছে এবং পর্যটন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
ইতিহাস
বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল-এর সময় ৮ম–৯ম শতকে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশেষভাবে Tantric Buddhism ও Vajrayana Buddhism-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হয়ে ওঠে।
এখানে দর্শন, যুক্তিবিদ্যা, ব্যাকরণ, অধিবিদ্যা, ধর্মতত্ত্ব এবং তন্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয় পড়ানো হত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর (Atisa Dipankara), যিনি তিব্বতে বৌদ্ধধর্মের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
পতন:
প্রায় ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বিক্রমশিলা ধ্বংস করেন।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় স্তূপকে ঘিরে ২০৮টি কক্ষ
- ছাত্র-সন্ন্যাসীদের শিক্ষা ও ধ্যানের ব্যবস্থা
- পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের জন্য বিশেষ cooling system-সহ গ্রন্থাগার
প্রধানত Vajrayana/Tantric Buddhism-এর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র
নালন্দার পর এবার বিহারের প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। Archaeological Survey of India (ASI) ঐতিহাসিক স্থানটির উন্নয়ন করছে এবং পর্যটন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
ইতিহাস
বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল-এর সময় ৮ম–৯ম শতকে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশেষভাবে Tantric Buddhism ও Vajrayana Buddhism-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হয়ে ওঠে।
এখানে দর্শন, যুক্তিবিদ্যা, ব্যাকরণ, অধিবিদ্যা, ধর্মতত্ত্ব এবং তন্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয় পড়ানো হত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর (Atisa Dipankara), যিনি তিব্বতে বৌদ্ধধর্মের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
পতন:
প্রায় ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বিক্রমশিলা ধ্বংস করেন।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় স্তূপকে ঘিরে ২০৮টি কক্ষ
- ছাত্র-সন্ন্যাসীদের শিক্ষা ও ধ্যানের ব্যবস্থা
- পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের জন্য বিশেষ cooling system-সহ গ্রন্থাগার
প্রধানত Vajrayana/Tantric Buddhism-এর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র