World Rabies Day: Raising Awareness for Rabies Prevention and Elimination বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস: জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নির্মূলে সচেতনতা বৃদ্ধি
প্রতি বছর ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস (World Rabies Day) পালন করা হয়। জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ এবং বিশ্ব থেকে এই প্রাণঘাতী রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়। সংক্রমিত প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে জলাতঙ্কের ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কুকুরের কামড়ের পর দ্রুত ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবাহিত জল দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জলাতঙ্কের টিকা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
২০২৬ সালের বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের মূল ভাবনা ছিল “Stronger Together” (একসঙ্গে আরও শক্তিশালী)—মানুষ, পশুচিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাতঙ্ক নির্মূল করা।
প্রতি বছর ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস (World Rabies Day) পালন করা হয়। জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ এবং বিশ্ব থেকে এই প্রাণঘাতী রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়। সংক্রমিত প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে জলাতঙ্কের ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কুকুরের কামড়ের পর দ্রুত ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবাহিত জল দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জলাতঙ্কের টিকা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
২০২৬ সালের বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের মূল ভাবনা ছিল “Stronger Together” (একসঙ্গে আরও শক্তিশালী)—মানুষ, পশুচিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাতঙ্ক নির্মূল করা।